‘কাদের মির্জার ক্ষমতার উৎস কী’, সাংসদদের নিয়ে অশ্লীল কথা বলার সাহস কই পেলো’

ফরিদপুর-৪ আসন ভাঙ্গার সংসদ সদস্য মজিবুর রহমান নিক্সন চৌধুরী বলেছেন, কোন এক ইউনিয়নে নৌকা প্রতীক নিয়ে বিজয়ী কাদের মির্জা আমাকে নিয়ে যে কথা বলছেন তার সত্যতা যাচাই করে বিচার হওয়া দরকার। বুধবার (২০ জানুয়ারি) সকালে, ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজে’লার আজিমনগরের তার নিজ বাড়িতে স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে উঠান বৈঠকে এ কথা বলেন তিনি।

এসময় নিক্সন চৌধুরী বলেন, ‘নোয়াখালীর একটা জায়গার মেয়র হয়ে ৩০০ জন সংসদ সদস্যকে বলছেন সব এমপিরা ম’দ খায়। সরকারের কাছে আবেদন করবো আম’রা যারা ৩০০ জনপ্রতিনিধি আছি, ঢালাওভাবে সে সব এমপিকে বলছে ম’দ খায়, এরকম কথা বলার সাহস ওই জায়গা থেকে ওই লোকের হলো কী’ করে?

তার পেছনে কে, এই সাহস তাকে কে দিলো? এতো বড় বেয়াদব সে ৩০০ এমপিকে বলছে ম’দ খায়। কেন্দ্রীয় দলীয় নেতা এমনকি সকল সাংসদকে নিয়ে যে সব অশ্লীল কথাবার্তা বলছে এর সাহস পাচ্ছেন কোথায়। তার ক্ষমতার উৎসই বা কি?’

তিনি আরো বলেন, ‘এতো বড় বেয়াদব যাকে তাকে নিয়ে সে কথা বলছে। এতো বড় বেয়াদব সে কর্ণেল ফারুককে নিয়ে কথা বলে, এনামুল হক শামীমকে নিয়ে কথা বলে। মন্ত্রী, নেতা কাউকে মানছেনা। তাকে এতো বড় সাহস কে দিলো? সে কিভাবে ঢালাওভাবে এসব কথা বলছে?’

নিক্সন চৌধুরী আরো জানান, ‘উনি উনার আপন বড় ভাইকে নিয়ে কথা বলছেন, উনার ভাবিকে নিয়ে কথা বলছেন। উনি আওয়ামী লিগের সিনিয়র নেতাদের নিয়ে কথা বলছেন, উনি হানিফ সাহেবকে নিয়ে কথা বলছেন, উনি আমাকে নিয়ে কথা বলছেন।

এখানে কি বললেন, আমি নাকি উনাকে নিয়ে কি বলেছি। কখন কোন জায়গায়, কোন মঞ্চে উনাকে নিয়ে কথা বলেছি এটার প্রমাণ উনি করে দিক। যদি উনি এটা প্রমাণ করতে পারে যে আমি উনাকে নিয়ে কথা বলেছি, তাহলে আমি ভাববো উনি যা বলেছেন সব সত্য।’

তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘উনি নৌকা মা’র্কার প্রার্থী অথচ উনি বলেন আওয়ামী লীগ কোন সিট পাবেনা। উনি উনার ছোট্ট একটা নির্বাচনে জয় পাওয়ার জন্য কতো না পাগলামি ও চালাকি করলো। উনি ভোট নেয়ার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকেও ছাড়লেন না।

এরকম একজন অশিক্ষিত, বর্বর ও অ’সুস্থ লোকের অবশ্যই ট্রিটমেন্টের দরকার। উদ্ভট প্রকৃতির এই লোকটার চিকিৎসার পাশাপাশি তাকে পাগলা গারদে ভর্তি করা যেতে পারে। তার বি’রুদ্ধে সরকারের আইনানুগ ব্যবস্থাও নেয়া উচিত।’