১২৭ কেজি থেকে যেভাবে ৪৩ কেজি ওজন কমিয়েছেন রেণুকা

বেশি ওজনের কারণে অনেক কথা শুনতে হয়েছে ভা’রতের নাগরিক ৩৬ বছর বয়সি রেণুকা পামনানি ভাসওয়ানিকে। শেষ পর্যন্ত নিজের কাছেই তার ওজন বির’ক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

তারপর তিনি সিদ্ধান্ত নেন যে করেই হোক ওজন কমাতে হবে। হয় এখন নয়তো কখনোই নয়- এমন দৃঢ় সিদ্ধান্ত নিয়ে শুধুমাত্র জীবনযাপনে কিছু পরিবর্তন এনে সাড়ে ৪৩ কেজি ওজন কমিয়েছেন তিনি। আড়াই বছরের চেষ্টায় এই সাফল্য মিলেছে রেণুকার।

ওজন বাড়তে বাড়তে একসময় ১২৭ কেজিতে পৌঁছায়। উচ্চতায় ৫ ফুট ৭ ইঞ্চি এবং পেশায় ব্যাংকার রেণুকার বাড়ি ভা’রতের মুম্বাইয়ে। এখন তার ওজন সাড়ে ৮৩ কেজি। ওজন কমানোর যাত্রা স’ম্পর্কে টাইমস অব ইন্ডিয়াকে জানিয়েছেন রেণুকা। ঢাকা টাইমস পাঠকদের জন্য রেণুকার সেই গল্প তুলে ধ’রা হলো-

টার্নিং পয়েন্ট: এমন একটি সময় ছিলো যখন আমা’র ওজন ছিল ১২৭ কেজি এবং ১৩০ কেজির দিকে ছুটছিল। এ নিয়ে আমি হতাশা বোধ করতে শুরু করেছিলাম। কারণ আমি কখনোই ভাবিনি যে আমা’র ওজন তিন সংখ্যায় পৌঁছাবে।

আমি দিন দিন অসম্পূর্ণ হয়ে উঠছিলাম। পরে আমা’র ওজন কমানোর সিদ্ধান্ত নিই। আমাকে এই কাজে সহযোগীতা করেছেন আমা’র ডায়েটিশিয়ান খায়াতি রুপনী এবং ফিটনেস কোচ রাকেশ পাওয়ার।

খাবার
সকালের নাস্তা: টোস্টের সঙ্গে ডিমের সাদা অংশ বা ওটস। এছাড়া ইডলি ও ধোসাও খেয়েছি। দুপুরের খাবার: এক বাটি সালাদ, ডাল ও চিকেনের সঙ্গে একটি রুটি বা ভাত। এছাড়া কম তেলে রান্না সবজি। রাতের খাবার: গ্রিলড চিকেন বা সবজি পাস্তা। ব্যায়ামের আগের খাবার: বুলেট কফি ব্যায়ামের পরের খাবার: ডাই’মাটিজ আই’এসও ১০০ হাইড্রোলিজড প্রোটিন পাওডার।

ব্যায়াম: ব্যায়ামের ক্ষেত্রে আমাকে সর্বোচ্চ সহযোগীতা করেছেন আমা’র ফিটনেস কোচ রাকেশ পাওয়ার। তিনি আমা’র ব্যায়াম রুটিন ঠিক করেছেন এবং সেই অনুযায়ী ব্যায়াম করিয়েছেন। আমা’র ব্যায়ামের মধ্যে ছিল কার্ডিও, শক্তি প্রশিক্ষণসহ কার্যকরী প্রশিক্ষণ।

ডায়েট শব্দটি নিজেই একটি নেতিবাচক শব্দ কারণ এটি আপনাকে কেবল অনুভব করে যে আপনি নিজেকে কিছু জিনিস থেকে বঞ্চিত করছেন। সুতরাং, আমি কেবল জীবনধারণের পরিবর্তনগুলোতে ফোকাস করেছি এবং ডায়েট শব্দটি বাদ দিয়েছি।

ওজন কমানোর যাত্রার সময় আপনি যে ছোট ছোট পদক্ষেপ গ্রহণ করেন তা আপনাকে একটি তাত্পর্যপূর্ণ পার্থক্য তৈরি করতে সহায়তা করে। রাতারাতি সত্যিই কিছুই ঘটে না বলে নির্দিষ্ট পরিমাণ পরিবর্তন লক্ষ্য করতে যে পরিমাণ সময়ের দরকার হয় তা আম’রা প্রায়শই অবমূল্যায়ন করি। প্রত্যেকেরই একটি নির্দিষ্ট ধরণের শরীর থাকে এবং এটি গুরুত্বপূর্ণ যে আপনি নিজেকে অন্যের সঙ্গে তুলনা করবেন না।