‘চুপ করে বসে সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না’

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের উদ্দেশে তার ভাই ও বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা বলেছেন, ‘ওবায়দুল কাদের সাহেব, আপনি কী হতে চান? আপনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে আছেন।

আপনার এলাকায় ত্যাগী কর্মীরা ঘরে শুতে পারেন না, গুলি খেতে হয়, তারা হাসপাতালের বেডে শুয়ে কাতরাচ্ছেন। আপনি সেখানে বসে কী করছেন? চুপ করে বসে সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না।’ সোমবার (২৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টায় বসুরহাট বাজারের রূপালী চত্বরে তিনি এসব কথা বলেন।

আবদুল কাদের মির্জা অভিযোগ করেন, ‘আজকে অনেকে বিক্রি হয়ে গেছে। যারা আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে থাকে, তারাও বিক্রি হয়ে গেছে। তারা সঠিক কথা তুলে ধরছে না।’ তিনি উপস্থিত নেতা–কর্মীদের প্রশ্ন করেন, ‘আমার পরিবারের কেউ রাজাকার ছিল বলেন? আমার আব্বা হেডমাস্টার ছিলেন। উনি কলকাতা ইসলামিয়া কলেজে বঙ্গবন্ধুর পাশের রুমে থাকতেন।’

ভাইয়ের উদ্দেশে কাদের মির্জা বলেন, ‘শুনতে খারাপ লাগবে, কী করবেন আপনি? জেলে দেবেন, সেটার অভ্যাস অনেক আগেই আছে। আপনার থেকে বেশি খাটছি। মেরে ফেলবেন? কবরের জায়গা দেখিয়ে দিয়েছি। আপনাকে ভালোবাসি, এখনও আপনি আমার রাজনৈতিক আদর্শ।

এখনও কোম্পানিগঞ্জের নেতাকর্মীরা আপনাকে শ্রদ্ধা করে। শনিবারের পর থেকে আর এ শ্রদ্ধা থাকবে না। কারণ আপনি একটা দুশ্চরিত্র, মাদক সম্রাটকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছেন। কেউ না থাকলেও আমি একা রাস্তায় থাকব, প্রয়োজনে জীবন দিয়ে দেব।’

তিনি আরও বলেন, ‘একরাম চৌধুরীকে দল থেকে বহিষ্কার করতে হবে। আমাদের দাবি মানতে হবে। নোয়াখালী আওয়ামী লীগের প্রস্তাবিত কমিটি বাতিল করতে হবে।’

এ সময় কোম্পানিগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খিজির হায়াত খান ও সাধারণ সম্পাদক নুরনবী চৌধুরীসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।