একের পর এক মা’মলা দিমু, দেখি তোর কোন বাপ ঠেকায়

ইতালি যাওয়ার ফাঁ’দে স’র্বস্বা’ন্ত সোহানা মা’ম’লা ও জি’ডি করে বি’পাকে। প্র’তার’ক জান্নাতুল গ্রে’ফ’তার ও জা’মিনে মু’ক্তির পর তার প্রে’মিককে দিয়ে ফেসবুকে-হোয়াটস অ্যাপে সোহানাকে হু’ম’কি দিয়ে আসছে বলে অ’ভিযো’গ পাওয়া গেছে।

ভু’ক্তভো’গী সোহানা অ’ভিযো’গ করে বলেন, জান্নাতুল ফেরদৌসের প্রে’মিক ও হবু স্বামী দাবিদার জাহিদুল ইস’লাম জেকি বিদেশ থেকে হোয়াটস অ্যাপের মাধ্যমে অ’শা’লীন ভা’ষায় গা’লাগা’ল এবং প্রা’ণে মে”রে ফে’লার একাধিকবার হু”ম’কি দি’চ্ছে। এতে নি’রাপ’ত্তাহী’নতা’য় ভু’গছে’ন সোহানা।

সোহানাকে জেকির হু’ম’কি দেয়ার কয়েকটি প্রিন্ট’কপি এ প্রতিনিধির কাছে রয়েছে। জেকির+১(৪৮)৫৪২১৫৫৩ নাম্বার থেকে আসা কয়েকটি মেসেজ তুলে ধ’রা হল- নাম জেনে কি করবি? আমা’র কাছে আসতে ৫০ বছর তপ’স্যা করতে হবে, তোর বরিশালে পটুয়াখালীতে উকিল-ম্যাজিস্ট্রেট-জজ-ব্যারিস্টার কোনো শা’লা’রপু’ত জামিন আ’ট’কা’তে পারবে না। তোর উকিল পর্যন্ত কি’না ফা’লাইছি। তুই যা টাকা পাবি, তার থেকে বেশি দিয়া ফা’লাইছি। এখন একের পর এক মা’ম’লা দিমু, দেখি তোর কোন বা’প ঠে’কা’য়। আমি যদি ওখানে থাকতাম ‘মে’রে’ শেষ করে ফেলতাম। তুই যার নামে মা’ম’লা ক’রছো’স আমি তার হবু জামাই।

প্রসঙ্গত, ই’তালি পাঠানোর স্বপ্ন দেখিয়ে সাড়ে তিন লাখ টাকা হা’তি’য়ে নেন জান্নাতুল ফেরদাউস (২২)। এরপর মা’মলা’য় গ্রে’ফ’তার হন তিনি। পরে জা’মি’নে ছাড়া পেয়েই বা’দীকে মা’ম’লা তুলে নিতে হু”ম’কি ধ’ম’কি দেন জান্নাতুল। অ’ভিযো’গে জানা গেছে, ই’তালি যাওয়ার স্বপ্ন নিয়ে জান্নাতুল ফেরদাউসের ফাঁ’দে পড়ে স’র্বস্বা’ন্ত হয়েছেন সোহানা বেগম। সোহানা দশমিনা উপজে’লার চরহোসনাবাদ এলাকার মো. মজিবুর রহমানের মে’য়ে ও তেজগাঁও মহিলা কলেজের ডিগ্রি শেষ বর্ষের ছা’ত্রী।

সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, লেখাপড়ার সু’বাদে পরিচয় হয় ঢাকার যাত্রাবাড়ী এলাকার জাবেদ আলীর মে’য়ে মোসা. জান্নাতুল ফেরদাউসের স’ঙ্গে। পরিচয়ের সূত্র ধরে দুজনের মাঝে বন্ধু’ত্বের সম্প’র্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে জান্নাতুল ফেরদাউস সোহানাকে ইতালি যাওয়ার স্বপ্ন দেখিয়ে আট লাখ টাকা দাবি করেন। পরে পাঁচ লাখ টাকায় সোহানা বেগমকে ইতালি পাঠানোর জন্য স’ম’ঝো’তা হয়।

সোহানার দ’রি’দ্র বাবা মজিবুর রহমান জমি বিক্রি ও আ’ত্মী’য়স্বজনের কাছে ধা’রদে’না করে ২০১৯ সালের ১৫ নভেম্বর তিন লাখ পঞ্চাশ হাজার টাকা দশমিনার বাড়িতে বসে আ’ত্মী’য়স্বজ’নের উপস্থিতিতে জান্নাতুল ফেরদাউসকে প্র’দান করেন। পরে জান্নাতুল ফেরদাউস সোহানার সঙ্গে টা’লবা’হা’না শুরু করেন।

একপর্যায় জান্নাতুল ফেরদাউস টাকা নেয়ার কথা অ’স্বীকার করে বিভিন্নভাবে হু’ম’কি-ধ’ম’কি দিতে থাকেন সোহানাকে। এ ঘটনায় সোহানা বেগম ২০২০ সালের ৮ নভেম্বর দশমিনা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আ’দাল’তে মা’ম’লা দা’য়ের করেন। আ’দাল’তের বি’চারক মো. আশিকুর রহমান জান্নাতুল ফেরদাউসের বি’রু’দ্ধে গ্রে’ফ’তা’রি প’রো’য়া’না জা’রি করেন।

গত ৯ জানুয়ারি জান্নাতুল ফেরদাউসকে গ্রে’ফ’তার করে যাত্রাবাড়ী থা’না পু’লিশ। ১৪ জানুয়ারি ওই মা’ম’লায় একই আ’দাল’ত থেকে জা’মিন পান জান্নাতুল ফেরদাউস। সোহানা বেগম জানান, জামিন পাওয়ার পর মা’মলা তুলে নেওয়ার জন্য অব্যাহতভাবে ‘হু’ম’কি দিয়ে যাচ্ছেন জান্নাতুল ফেরদাউস ও তার চ’ক্রে’র সদস্যরা। এ ঘটনায় সোহানা দশমিনা থা’নায় বুধবার একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন।

সোহানা বেগম জানান, বিদেশে মানুষ পাঠানোর নাম করে শত শত মানুষের কাছ থেকে টাকা হা’তি’য়ে নিচ্ছেন জান্নাতুল ও তার চ’ক্রে’র সদস্যরা।এ ঘটনায় অ’ভিযু’ক্ত জান্নাতুল ফেরদাউসের মোবাইল নম্বরে একাধিকবার ফোন করলেও বন্ধ পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে দশমিনা থা’নার ওসি জসিম উদ্দিন বলেছেন, সোহানার অ’ভিযো’গ তদ’ন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।