লা’ঠি হাতে নিজেই কেন্দ্র দখল করতে নামেন কাউন্সিলর আনোয়ার!

সকাল আটটা থেকেই সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহণ চলছিল টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজে’লার কুতুবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে। ভোটারদের দীর্ঘ লাইনও ছিল সেখানে। উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দিচ্ছিলেন নারী ও পুরুষ ভোটাররা।

বেলা পৌঁনে ১২টায় হঠাৎ করেই পাল্টে যায় দৃ’শ্যপট। নিজের অবস্থা শো’চনী’য় দেখে জা’ল ভোট দিতে যান কাউন্সিলর প্রার্থী আনোয়ার হোসেনের লোকজন। বা’ধা দেয় অ’পর কাউন্সিলর প্রার্থী জাহিদুল ইস’লামের সম’র্থকরা।

আর তাতেই বাধে যত বি’প’ত্তি। শুরু হয় সং’ঘ’র্ষ। লা’ঠি হাতে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন সদ্য বিজয়ী কাউন্সিলর আনোয়ার হোসেন। সং’ঘ’র্ষে উভ’য় পক্ষের কমপক্ষে ১০জন আ’হ’ত হয়। কে’টে ফেলা হয় সূচী বেগম নামের এক নারীর হাতের আ’ঙ্গু’ল।

গুরুত্বর আ’হত হয় ৭জন। পরে অ’তিরিক্ত পু’লিশ, রেব ও বিজিবির সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে’ আনেন। নিজের (আনোয়ারের) স’ম’র্থ’ক আ’হ’ত খায়রুল মা”রা গেছে এমন গু’জ’ব র’টি’য়ে বাকিটা সময় কেন্দ্র নিজেদের দখলে রাখেন তিনি।

এদিকে, ফলাফল ঘোষণা শেষে বিজয়ী হওয়ার পর আরেক খে’লায় মেতে উঠেন আনোয়ার হোসেন। তিনিসহ হিং¯্র হয়ে উঠেন তার সম’র্থকরা। শুরু হয় প্রতিপক্ষ কাউন্সিলর প্রার্থী জাহিদুল ইস’লামের সম’র্থকদের বাড়িতে হা’ম’লা-ভা’ঙ’চুর।

দফায় দফায় চালানো হয় হা’মলা। ভাংচুর ও কো”পা”নো হয় কমপক্ষে ১৬টি বাড়ি। আ’ত”ঙ্কে পু’রুষ শূ’ণ্য হয়ে পড়েছে পুরো এ’লাকা। বিরাজ করছে থ’মথ’মে পরিস্থিতি।

সরেজমিনে ওই এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, অধিকাংশ ঘরেই ঝুলছে তালা। কিছু কিছু বাড়িতে নারী ও ছোট ছোট ছে’লে-মে’য়ে ছাড়া তেমন কোন লোক চোঁখে পড়েনি। সদ্য বিজয়ী কাউন্সিলর আনোয়ার হোসেন ও পরাজিত প্রার্থী জাহিদুল ইস’লামের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের এলাকায় পাওয়া যায়নি।

নির্বাচনি স’হং’সি’তায় হা’ম”লা ও ভা”ঙচু’রে’র বিষয়ে ভূঞাপুর থা’না অফিসার ইনচার্জ মো. রাশিদুল ইস’লাম জানান- ‘বর্তমানে পরিস্থিতি শা’ন্ত রয়েছে।

ওই এলাকায় নিয়মিত পু’লিশ টহল দিচ্ছে। পরাজিত প্রার্থী জাহিদুল সম’র্থকের লোকজন থা’নায় একটি মা”ম’লা দায়ের করেছে। তদ’ন্ত সাপে’ক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে