বন্ধুদের সামনেই ধ’;র্ষ’;ণ, সেই ইউল্যাব ছা’ত্রীর বন্ধুটিও মা’রা গেছে

ইউনিভা’র্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশের (ইউল্যাব) মা’রা যাওয়া ছা’ত্রীর এক বন্ধুও মা’রা গেছেন। তার নাম আরাফাত। ইউল্যাবের ওই ছা’ত্রীর মৃ’ত্যুর পর ধ’;র্ষ’;ণের অ’ভিযোগে যে মা’ম’লা হয়েছিল তাতে আরাফাতকেও আ’সা’মি করা হয়েছিল। পু’লিশের ধারণা, অ’তিরিক্ত ম’দ্যপান বা ম’দে বিষপানের কারণে এমনটি হতে পারে।

সোমবার (১ ফেব্রুয়ারি) মধ্যরাতে আ’লো’চি’ত এ ঘটনা নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন তেজগাঁও বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) হারুন অর রশিদ। সেখানেই তিনি এসব তথ্য জানান। এ ঘটনায় আরেক যুবককে খুঁজছে পু’লিশ। তার নাম-পরিচয় এখনও জানতে পারেনি তারা।

ডিসি হারুন বলেন, ‘আম’রা শুনেছি নেহার বন্ধু বিমানবন্দর থেকে ম’দ এনে উত্তরার ব্যাম্বুসুট রেস্টুরেন্টে খেয়েছে। আম’রা সেই ছে’লের নাম-পরিচয় এখনও পাইনি। তাকে খোঁজা হচ্ছে। সেই ম’দ্যপানের কারণেই কিছু হয়েছে কি-না বা ম’দে বিষক্রিয়া হয়েছে কি-না তা আম’রা ত’দ’ন্ত করছি। এছাড়াও উত্তরার যে রেস্টুরেন্টে এই ম’দ্যপান করা হয়েছিল, তাদের লাইসেন্স আছে কি-না তা ত’দ’ন্ত করা হচ্ছে।’

ইউল্যাব ছা’ত্রীর মৃ’ত্যুর বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ওই তরুণীর ভিসেরা নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে, পাশাপাশি গ্রে’প্তা’র দুই আ’সা’মিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। এই দুই মিলে ত’দ’ন্তে প্রাথমিকভাবে আমাদের মনে হয়েছে, অ’তিরিক্ত ম’দ্যপান, ম’দে বিষক্রিয়া অথবা বেশি ম’দ পান করিয়ে ধ’;র্ষ’;ণের ঘটনাও ঘটতে পারে।’

ডিসি বলেন, ‘এ ঘটনায় আরাফাত নামের অন্যতম আ’সা’মি একটি হাসপাতা’লে মা’রা গেছেন। এছাড়াও নেহা নামের আরেক বান্ধবী অ’সুস্থ হয়েছিলেন। চিকিৎসা শেষে তিনি বাসায় ফিরেছেন।’

ইউল্যাবের ওই ছা’ত্রীর মৃ’ত্যুর ঘটনাটি জানা যায় গতকাল রাতে; যদিও তিনি মা’রা যান গতকাল (৩১ জানুয়ারি) সকালে। রাতেই এ ঘটনায় একটি মা’ম’লা দায়ের হয় মোহাম্ম’দপুর থা’নায়। সেখানে ওই তরুণীকে ম’দ্যপান করিয়ে ধ’;র্ষ’;ণ ও হ’ত্যার কথা বলা হয়েছে। এতে সহযোগী হিসেবে ৪ জনের কথা বলা হয়।

মোহাম্ম’দপুর থা’নার ওসি আব্দুল লতিফ গতকাল রাতে সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ‘তরুণীর মৃ’ত্যুর কারণ এখনও নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। ময়নাত’দ’ন্তের প্রতিবেদন পেলে বিস্তারিত বলা যাবে। ময়নাত’দ’ন্তের জন্য নি’হ’তের ম’রদেহ শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতা’লের ম’র্গে রাখা আছে।’

মা’ম’লায় ৫ আ’সা’মির মধ্যে ওই তরুণীর বন্ধু ম’র্তুজা রায়হান চৌধুরীকে (২১) ধ’;র্ষ’;ণকারী হিসেবে উল্লেখ করা হয়। অন্য ৪ আ’সা’মির মধ্যে তিনজন- নুহাত আলম তাফসির (২১), আরাফাত (২৮) ও নেহা (২৫)। আরেকজনের নাম জানা যায়নি। মা’ম’লায় অ’জ্ঞা’ত হিসেবে তাকে উল্লেখ করা হয়েছে।

মা’ম’লার এজাহারে বলা হয়েছে, গত ২৮ জানুয়ারি বিকেল ৪টায় ম’র্তুজা রায়হান ওই তরুণীকে নিয়ে মিরপুর থেকে আরাফাতের বাসায় যান। আরাফাতের বাসায় স্কুটার রেখে আরাফাত, ওই তরুণী ও রায়হান একসঙ্গে উবারে করে উত্তরা ৩ নম্বর সেক্টরের ব্যাম্বুসুট রেস্টুরেন্টে যান। সেখানে আগে থেকেই আরেক আ’সা’মি নেহা এবং একজন সহপাঠী (তরুণ) উপস্থিত ছিলেন।

সেখানে আ’সা’মিরা ওই তরুণীকে জো’র করে অধিক মাত্রায় ম’দপান করান। ম’দ্যপানের একপর্যায়ে তরুণী অ’সুস্থ বোধ করলে রায়হান তাকে মোহাম্ম’দপুরে তার এক বান্ধবীর বাসায় পৌঁছে দেয়ার কথা বলে নুহাত নামে একজনের বাসায় নিয়ে যান। সেখানে তরুণীকে একটি রুমে নিয়ে ধ’;র্ষ’;ণ করেন রায়হান। এসময় রায়হানের বন্ধুরাও রুমে ছিলেন। তাদের চোখের সামনেই ধ’;র্ষ’;ণ করা হয়।

ধ’;র্ষ’;ণের পর রাতে ওই তরুণী অ’সুস্থ হয়ে বমি করলে রায়হান তার আরেক বন্ধু অসীম খান কোকোকে ফোন দেন। সেই বন্ধু পরদিন এসে ওই তরুণীকে প্রথমে ইবনে সিনা ও পরে আনোয়ার খান মডার্ন মেডিকেল কলেজে হাসপাতা’লে ভর্তি করেন। দু’দিন লাইফ সা’পোর্টে থাকার পর রবিবার তরুণী মা’রা যান।

উল্লেখ্য, গত ৭ জানুয়ারি রাজধানীর কলাবাগানে মাস্টারমাইন্ড স্কুলের ও লেভেলের এক ছা’ত্রীর মৃ’ত্যু হয়। ওই ঘটনাতেও ধ’;র্ষ’;ণের অ’ভিযোগে মা’ম’লা হয়েছে। ইউল্যাবের এই ছা’ত্রীর মতো মাস্টারমাইন্ডের ছা’ত্রীটিকেও ধ’;র্ষ’;ণের পর অ’সুস্থ অবস্থায় হাসপাতা’লে আনা হয়। হাসপাতা’লে নিয়ে আসেন ধ’;র্ষ’;ণকারী বন্ধু।