আল-জাজিরার প্রতিবেদনে সামির ছবি দেখে আঁতকে উঠলেন শ্রাবন্তী

ইপসিতা শবনম শ্রাবন্তী। এখন তিনি নিউইয়র্কে তার দুই কন্যাকে নিয়ে এক প্রকার জীবন যাপন করছেন। কিন্তু এই শ্রাবন্তী ১৯৯৮ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে হার্টথ্রব অ’ভিনেত্রীদের একজন ছিলেন। নাট’কের বাজারে তার একচেটিয়া জনপ্রিয়তা ছিলো।

বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে ২০০২ সালে হঠাৎ করেই এই শ্রাবন্তীকে বাংলাদেশ টেলিভিশন নিষিদ্ধ করে। খোঁজ নিয়ে জানা যায় শ্রাবন্তী জিয়াউর রহমানের একটি ছবি পা দিয়ে মাড়িয়েছিলেন আর এজন্য তাকে নিষিদ্ধ করা হয়েছিলো। কিন্তু পরবর্তীতে শ্রাবন্তী বলেছিলেন আসল ঘটনা অন্য।

এখন যিনি ‘অল দ্যা প্রাইম মিনিস্টার’স ম্যান’ প্রামাণ্যচিত্রে মুখ্য ভূমিকায় অ’ভিনয় করেছেন হাঙ্গেরিতে থাকা সামি তখন চ্যানেল ওয়ান এর একজন ক্ষমতাধর ব্যক্তি ছিলেন। গিয়াস উদ্দিন আল মামুন এবং তারেক জিয়ার ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ছিলো সামি কিন্তু তার মূল ব্যবসায় ছিলো তারেক এবং মামুনকে নারী সাপ্লাই দেয়া।

যারা নাট্যজগত এবং সিনেমা জগতে জনপ্রিয় ছিল তাদেরকে বিভিন্ন কুপ্রস্তাব দিতেন এবং সেই কুপ্রস্তাবে রাজি না হলে তাদেরকে নানাভাবে ভ’য়-ভীতি দেখানো হতো।

তাতেও যদি তারা রাজি না হতো তাহলে তখন তাদেরকে নিষিদ্ধ করে দেয়া হতো। ঠিক তেমনি নিষিদ্ধের খড়গে পড়েছিলেন ইপসিতা শবনম শ্রাবন্তী।

পরবর্তীতে অবশ্য টেলিহোমের কর্ণধার মোহাম্ম’দ আলী বশিরের দেনদরবারে বাংলাদেশ টেলিভিশন থেকে ইপসিতা শবনম শ্রাবন্তীর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়েছিলো।

কিন্তু ইপসিতা শবনম শ্রাবন্তী যখন আলা জাজিরার ‘অল দ্যা প্রাইম মিনিস্টার’স ম্যান’ এই ভিডিও দেখন তখন সামিকে দেখে আঁতকে উঠলেন। কারণ সামির চেহারা তিনি কখনও ভুলতে পারছেন না।

উৎস : বাংলা ইনসাইডার