আনুশকার ঘটনার মত > ইউল্যাব শিক্ষার্থী মাধুরীর ঘটনা: নেহা ও তার বন্ধুকে খুঁজছে পু’লিশ!

বছরের শুরুতে রাজধানী কলাবাগান এলাকায় একটি শিক্ষার্থীর সাথে তার বন্ধু যে ঘটনা ঘটায় তার রেস কাটতে না কাটতে ফের আরও এক শিক্ষার্থীর সাথে তেমনি একটি ঘটনা ঘটেছে। রাজধানীর ইউনিভা’র্সিটি অব লিবারেল আর্টস অব বাংলাদেশের (ইউল্যাব) শিক্ষার্থী ফারাহ মাধুরী তার বন্ধুদের সাথে একটি রেস্টুরেন্টে যায়।

এরপর তারা সবাই সেখানে অ’বৈধ জিনিস পা/ন করে। আর এই অ’বৈধ জিনিস পা/ন করার পর এই শিক্ষার্থী তার বন্ধুর সাথে বাসায় যায়। অ’ভিযোগ উঠেছে এই শিক্ষার্থী তার বন্ধুর বাসায় যাওয়ার পর তার সাথে অ’নৈতিক কাজ করে তার বন্ধু। আর এবার এই ঘটনা স’ম্পর্কে বিস্তারিত জানা গেল।

রাজধানীর ইউনিভা’র্সিটি অব লিবারেল আর্টস অব বাংলাদেশের (ইউল্যাব) শিক্ষার্থী ফারাহ মাধুরীর সাথে অ’নৈতিক কাজ ও হ’/’ত্যা’/’র ঘটনায় দু’জনকে খুঁজছে পু’লিশ। তারা ঘটনার দিন উত্তরার ’ব্যাম্বু সুট’ রেস্টুরেন্টে একসঙ্গে অ’বৈধ জিনিস পা/ন করেছিল। পু’লিশ বলছে, তাদেরকে পাওয়া গেলে ঘটনার অনেক র/হ/স্য উ/দঘাটন করা সম্ভব হবে।

জানা যায়, গত ২৮ জানুয়ারি বিকালে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী ইউল্যাবের ওই নারী শিক্ষার্থী তার বয়ফ্রেন্ড ম’র্তুজা রায়হান চৌধুরীসহ পাঁচজন উত্তরার ’ব্যাম্বু সুট’ রেস্টুরেন্টে যায় এবং অ’বৈধ জিনিস পা/ন করে। এ সময় নেহা নামে তাদের এক বান্ধবী অ’বৈধ জিনিস পা/নে অ’সুস্থ হয়ে প//র//লে সে (নেহা) ও তার বন্ধুকে উবারে তুলে দেয়া হয়। রেস্টুরেন্টে অবস্থানের সময় ইউল্যাবের ওই নারী শিক্ষার্থীও অ’সুস্থতা বোধ করে। পরে তাকে নিয়ে আসা হয় তাফসির নামে মোহাম্ম’দপুর এলাকায় তাদের এক বন্ধুর বাসায়। যেটি ছিল মোহাম্মাদীয়া হোমস লিমিটেডের তিন তলার একটি ফ্ল্যাটে।

পরের দিন (২৯ ডিসেম্বর) ওই বন্ধুর বাসায় থাকাকালে ইউল্যাব শিক্ষার্থীর সঙ্গে শা//রী//রি//ক স’ম্পর্ক করে তার বয়ফ্রেন্ড ম’র্তুজা রায়হান। এতে সে আরও অ/সুস্থতা বোধ করলে গভীর রাতে তাকে প্রথমে নেয়া হয় কল্যাণপুরের ইবনে সিনা হাসপাতা’লে।

সেখানে লাইফ সার্পোটের ব্যবস্থা না থাকায় ধানমন্ডির আনোয়ার খান মডার্ণ হাসপাতা’লে নেয়া হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল রবিবার দুপুরে মৃ//ত্যু হয় ওই শিক্ষার্থীর।

এদিকে, ৩০ জানুয়ারি ওই নারী শিক্ষার্থীর অ’সুস্থতার কথা পরিবারকে জানায় তার বয়ফ্রেন্ড রায়হান। এ সময় তার বাবা (ইউল্যাব শিক্ষার্থীর) চট্টগ্রাম থেকে আসেন এবং মোহাম্ম’দপুর থা’নায় মা’মলা করেন। সে সময় ওই নারী শিক্ষার্থী আনোয়ার খান মডার্ণ হাসপাতা’লে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

এদিকে, মা’মলার এজাহারে থাকা তিন নম্বর আ’সামি আরাফাত মা’মলার আগের দিন (৩০ ডিসেম্বর) মোহাম্ম’দপুর সিটি হাসপাতা’লে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মা//রা যান এবং অনেক গো//প//নী//য়//তা//র সঙ্গে হাসপাতাল থেকে নিথর দে//হ নিয়ে যাওয়া হয়। যা পু’লিশ রবিবার বিকালে জানতে পারে।

নারী শিক্ষার্থীর সাথে অ’নৈতিক কাজ ও পর হ//ত্যা//র অ’ভিযোগ উঠলেও সোহরাওয়ার্দীর ফরেনসিক বিভাগ ম//য়//না//ত//দ//ন্তে//র পর প্রাথমিকভাবে জানিয়েছে, ওই ছা’ত্রীর সঙ্গে জো//র//পূ//র্ব//ক অ’নৈতিক কাজের আ’লা’ম’ত পাওয়া যায়নি। তবে ফ//রে//ন//সি//ক রিপোর্ট পেতে একমাস লাগতে পারে। এরপরই বোঝা যাবে অ/তি/রি/ক্ত অ’বৈধ জিনিস পা//নে তার মৃ///ত্যু হয়েছে।

মোহাম্ম’দপুর থা’নার ভা’রপ্রাপ্ত কর্মক’র্তা (ওসি) আব্দুল লতিফ গণমাধ্যমকে বলেন, শিক্ষার্থীর বাবার করা মা’মলায় নেহা ও তার বন্ধুকে (অ//জ্ঞা//ত) পাওয়া গেলে ঘটনার দিনের অনেক তথ্য পাওয়া যাবে। এছাড়া আম’রা ঘটনার দিনে রেস্টুরেন্টের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করার চেষ্টা করছি। সূত্র:ব্রেকিংনিউজ

এদিকে, রাজধানী ঢাকা শহরের কলাবাগান এলাকায় আনুশকার ঘটনা ঘটার এক মাস যেতে না যেতে আরও এক শিক্ষার্থী এভাবে না ফেরার দেশে চলে গেছেন যা নিয়ে আবারও আলোচনা সমালোচনা শুরু হয়েছে। অনেকে মনে করেন পরিবারের শিক্ষার অভাবেই দিন দিন এমন ঘটনা বেড়ে চলেছে। আর এবার এই শিক্ষার্থীর দুই বন্ধুকে খুঁজছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। একই সাথে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বর্তমানে অনেক তথ্য সংগ্রহ করছে।