বিশ্ববিদ্যালয়ে বন্ধুত্ব থেকে শারীরিক স’ম্পর্ক, সেই রাতে হয়েছিলো ১ বার!

রাজধানীর ইউনিভা’র্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশের (ইউল্যাব) শিক্ষার্থীর ঘটনায় দায়ের করা মা’মলায় গ্রে’প্তার হন ফারজানা জামান নেহা ওরফে ডিজে নেহা। মৃ’ত ছা’ত্রীর বাবার দায়ের করা মা’মলায় অন্যতম আ’সামি এই নেহা। গ্রে’প্তারের পর রি’মান্ডে নেওয়া হয়েছে ডিজে নেহাকে।

পু’লিশের জিজ্ঞাসাবাদের নিজের অন্ধকার জগতের চাঞ্চল্যকর তথ্য দিচ্ছেন নেহা। ত’দন্ত সংশ্লিষ্টরা জানতে পেরেছেন, ফারজানা জামান ওরফে ডিজে নেহার প্রতিটি পার্টিতেই নতুন নতুন মুখ থাকতো। তাদের অধিকাংশ ছিলো বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া তরুণী।

ধনী ব্যক্তিদের পকেট কাটতে এসব তরুণীকে টোপ হিসেবে ব্যবহার করতেন ডিজে নেহা। এ ক্ষেত্রে তার হয়ে তরুণ-তরুণীদের একটি চক্রও কাজ করতো। তাদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। নেহা তার সহযোগীদের নাম প্রকাশ না করতে কৌশলের আশ্রয় নিচ্ছেন।

বৃহস্পতিবার ডিজে নেহা গ্রে’প্তার হন। এরপর শুক্রবার পাঁচ দিনের রি’মান্ডে নিয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে মোহাম্ম’দপুর থা’না পু’লিশ। তাকে জিজ্ঞাসাবাদে রাতের ঢাকার বার-রেস্টুরেন্টের অজানা তথ্য বেরিয়ে আসছে।

জানা যায়, গত ২৮ জানুয়ারি বিকাল ৪টায় ম’র্তুজা রায়হান ওই তরুণীকে নিয়ে মিরপুর থেকে আরাফাতের বাসায় যান। সেখানে স্কুটার রেখে আরাফাত, ওই তরুণী এবং রায়হান একসঙ্গে উত্তরা ৩ নম্বর সেক্টরের ব্যাম্বুসুট রেস্টুরেন্টে যান। সেখানে আগে থেকেই আরেক আ’সামি নেহা এবং একজন সহপাঠী উপস্থিত ছিলেন।

সেখানে আ’সামিরা ওই তরুণীকে জো’র করে ‘অধিক মাত্রায়’ ম’দপান করান। ম’দপানের একপর্যায়ে ভুক্তভোগী তরুণী অ’সুস্থ বোধ করলে রায়হান তাকে মোহাম্ম’দপুরে তার এক বান্ধবীর বাসায় পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে নুহাতের বাসায় নিয়ে যান।

সেখানে তরুণীকে করেন রায়হান। তখন রায়হানের বন্ধুরাও কক্ষে ছিলেন। রাতে ওই তরুণী অ’সুস্থ হয়ে বমি করলে রায়হান তার আরেক বন্ধু অসিম খানকে ফোন দেন। সেই বন্ধু পরদিন এসে তরুণীকে প্রথমে ইবনে সিনা ও পরে আনোয়ার খান মডার্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতা’লে ভর্তি করেন। দু’দিন লাইফ সাপোর্টে থাকার পর মৃ’ত্যু হয় তরুণীর।