প্রথম প্রেম প্রস্তাব পাই রক্ত দিয়ে লেখা চিঠিতে: পরীমনি

ভালোবাসা একটি মানবিক অনুভূতি ও আবেগকেন্দ্রিক অভিজ্ঞতা। বিশেষ কোন মানুষের জন্য স্নেহের শক্তিশালী বহিঃপ্রকাশ হচ্ছে ভালোবাসা। কখন, কীভাবে, কোন মুহূর্তে ভালোবাসা মানুষকে ছুঁয়ে যায়, তা হয়তো সে নিজেও পুরোপুরি বুঝে উঠতে পারেন না। কোন বাধায়, শাসনে তাকে আটকে রাখা যায় না।

প্রতিটি মানুষের জীবনেই কোনো না কোনোভাবে ভালোবাসার আবির্ভাব ঘটে। এই ভালোবাসা জীবনে প্রথমবার যখন আসে তখন। তৈরি হয় অন্য রকম এক অনুভূতি। ঢাকাই ছবির নায়িকা পরীমনির জীবনের প্রথম ভালোবাসা কবে এসেছিলো? ভালোবাসা দিবসকে সামনে রেখে রাখা হয় এ প্রশ্ন। তিনি বলেন, ‘ক্লাস নাইনে থাকাকালে প্রথম প্রেমের প্রস্তাব পাই।’

পরীমনি তখন পিরোজপুর ভগিরাতপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পড়েন। সেই স্কুলের প্রধান শিক্ষক ছিলেন পরীমনির নানা। তাই স্কুলে তার দাপটটাও ছিল বেশি।

পরের ঘটনা পরিমনীর মুখেই শোনা যাক ‌, ‘জুলিয়া নামে আমার এক বান্ধবীর কাছে জানতে পারি, পাশের গ্রামের এক ছেলে আমাকে পছন্দ করে। বান্ধবীর মুখে শুনে আমি খেয়াল করে দেখলাম, একটা ছেলে মোটরসাইকেল নিয়ে দূরে দাঁড়িয়ে আছে। এভাবে একদিন, দু’দিন করে বেশ কিছুদিন চলে গেল। প্রতিদিন ছেলেটিকে এভাবে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে ওর প্রতি আমার মায়া হলো। সিদ্ধান্ত নিলাম, ছেলেটির সঙ্গে কথা বলব। হঠাৎ একদিন ছেলেটি জুলিয়াকে দিয়ে একটা কার্ড পাঠায়। সেখানে রক্ত দিয়ে লেখা, ”আই লাভ ইউ”।’

চিঠিটি পেয়ে পরীমনির কেমন লেগেছিলো তা জানাতে নারাজ। বলেন, ‘এ অনুভূতি আমার নিজের কাছেই থাক। ভালো লাগার কিছু মুহুর্ত নিজের ভেতর জিউয়ে রাখতে আলাদা আনন্দ আছে। বিরহ বা মজার আনন্দ।’