নাসির আমাকে তার বিয়েতে দাওয়াত দেয় নি – নাজমুল হাসান পাপন

এই আর্টিক্যালটি শুধুমাত্র পাঠকদের বিনোদনের জন্য পাবলিশ করা হয়েছে। এই খবরটি বিশ্বাস তো দূরে থাক অবিশ্বাস করার ও কোন প্রশ্নেই আসে না। এবার ভালোবাসা দিবসটা একটু অন্য রকম কেটেছে জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাসির হোসেনের। আর কাটবে নাই–বা কেন? এই ভালোবাসা দিবসেই যে তামিমা সুলতানাকে পেয়েছেন সহধর্মিণী হিসেবে! কিন্তু বিয়ের পরই উঠেছে বিতর্ক।

নাসিরের স্ত্রী তামিমা সুলতানা তাঁর আগের স্বামীকে ডিভোর্স না দিয়েই নাকি বিয়ে করেছেন। উত্তরা পশ্চিম থানায় এমন অভিযোগ তুলে সাধারণ ডায়েরি করেছেন তামিমার আগের স্বামী রাকিব হাসান। জানা গেছে, রাকিব ছাড়াও নাসিরের স্ত্রী তামিমার আরও একজন স্বামী ছিল বলে জানা গেছে

শনিবার (২০ জানুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পাওয়া তামিমার সাবেক স্বামী রাকিবের একটি জিডির কপিতে এ তথ্য পাওয়া গেছে। তিনি বৃহস্পতিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে উত্তরা পশ্চিম থানায় এ জিডিটি করেন বলে নিশ্চিত করেছেন উত্তরা পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাও (ওসি) শাহ মো. আক্তারুজ্জামান ইলিয়াস।

জিডি সূত্রে জানা যায়, ২০১১ সালে তামিমা তাম্মিকে বিয়ে করেন রাকিব। দাম্পত্য জীবনে তাদের একটি মেয়ে রয়েছে। এর মধ্যেই তামিমা অন্য এক ছেলের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ায়। ছয় মাস সংসার করার পর ফিরে আসে। পরে রাকিবের সঙ্গে ক্ষমা চেয়ে পার পায়।

কিন্তু গত ১৪ ফেব্রুয়ারি নতুন করে নাসিরের সঙ্গে ছবি ভাইরাল হলে রাকিব জানতে পারেন, তামিমা বিয়ে করেছেন।এদিকে এই ঘটনায় ইতোমধ্যে ফেইসবুকে কেঁপে উঠেছে। নাসিরের এই ঘটনায় ক্রিকেটার থেকে ক্রিকেট বোদ্ধা সবাই সরব এই বিষয়টি নিয়ে তবে ক্রিকেটাররা তার বিষয় নিয়ে মন্তব্য করতে রাজি হন নি।

বোর্ড সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন ও এই বিষয় কোন মন্তব্য করেন নি। তার একটি ফেইসবুক আইডি (ধারনা করা যায় এটি একটি ফেইক আইডি) থেকে কমেন্টে নিউজের নিচে লিখেছেন ‘নাসিরকে নিয়ে আমি যা যা সন্দেহ করেছিলাম তাই তাই হয়েছে। এইজন্যেই আমি ওকে দলে জায়গা দিই নি। নাসির বিয়ে করলো অথচ একটাবার আমাকে জানালো না।

তার বিয়েতে দাওয়াত তো দূরে থাক দোয়া চাইতে আমাকে ফোন করে নি এবং সে আমাকে বিবাহোত্তর সংবর্ধনা অনুষ্ঠানেও আমন্ত্রন করেনি। ’ বিঃদ্রঃ এই আর্টিক্যালটি শুধুমাত্র পাঠকদের বিনোদনের জন্য পাবলিশ করা হয়েছে। এই খবরটি বিশ্বাস তো দূরে থাক অবিশ্বাস করার ও কোন প্রশ্নেই আসে না