ট্রেনের ই-ঞ্জিনের ভিতরে ঢু-কে গেলো শিশু, না বেরোতে পেরে জু-ড়লো কা-ন্না-কাটি, ভাইরাল হলো ভিডিও!

আমরা প্রতিদিন আমাদের নিত্যদিনের জীবনযাপনের ক্ষেত্রে এমন বেশ কিছু ধরনের ঘটনার সাক্ষী থাকি যা রীতিমতো আমাদেরকে বারবার ভাবিয়ে তোলে । তার পাশাপাশি সচেতন করে তো-লে ব্যা-প-কভাবে ।

কারণ আমরা আমাদের কাজের মাধ্যমে কখনো কখনো এমন কিছু ধরনের কাজকর্ম করে থাকি যা ডেকে আনতে পারে মৃ-ত্যু অবধি । যদিও এই সমস্ত ঘটনার প্রমাণ বহুবার পাওয়া গেছে তবে সম্প্রতি পাওয়া গেল আরো একবার যা শুনলে বা দেখলে গা হি-ম হ-য়ে যা-বে ।

আমরা বর্তমান প্রজন্মের মানুষরা প্র-চন্ড প-রিমানে ব্যস্ত হয়ে পড়েছি । তাই সব জায়গাতেই যাতায়াতের জন্য তাড়াহুড়ো যেন আমাদের নিত্যসঙ্গী । এবং এই তা-ড়া-হু-ড়োর ক-বলে পড়েই অনেকবার প্রাণ হারিয়েছে অনেকে ।

তার পাশাপাশি কখনও কখনও আইন ভেঙে বা ট্রাফিক আইন ভে-ঙে যাবার কারণে কিন্তু মানুষকে প-ড়তে হ-য়েছে বি-প-দের স-ম্মুখে এবং সেই সমস্ত ঘটনাগুলো প্রতিনিয়ত সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে আমাদের সামনে উঠে আসে বলেই আমরা প্রতিদিন সচেতন হতে পারি । তার পাশাপাশি নিতে পারে শিক্ষা ।

ঠিক সে রকম একটি ঘটনা দেখা গেল সম্প্রতি।ইউটিউবে একটি ভিডিও যথেষ্ট পরিমাণে ভাইরাল হয়েছে সেখানে দেখা যাচ্ছে একটি রেল ক্রসিংয়ে রেলগেট পড়ে আছে এবং সে রেলগেটের ফাঁকে নিচে অংশ দিয়ে এক বাইক আরোহী পেরোবার চেষ্টা করছিলেন কিন্তু হঠাৎই দু-রন্ত গ-তিতে চ-লে আ-সে ট্রে-নটি ।

যার ফলে সে সেই লোকটি তার বাইক সেখানে ফেলে কোনরকমে প্রাণে বাঁচে । কিন্তু শে-ষ র-ক্ষা হ-লো না । সে বাইকটি একেবারে ভে-ঙ্গে চু-র-মার হয়ে গেল ট্রে-নের ধা-ক্কা-য়।

দ্বিতীয় একটি ঘটনা ইউটিউবে দেখা গেছে ।একটি মালগাড়ির সামনে দুটি চাকা মধ্যে খানে জায়গাতে আ-টকে গে-ছে একটি ছোট্ট বাচ্চা ছেলে । সে অনবরত কেঁ-দে যা-চ্ছে। তার য-ন্ত্রণা হচ্ছে কিন্তু তাকে বের করার মতন কোনো উপায় নেই।

যদিও ট্রেনের চালক সেটি বুঝতে পেরেছে এবং ট্রেনটিকে তৎক্ষণাৎ দাঁড় করিয়েছে । কিন্তু কীভাবে এটি হলো কেমন করে এটি হলো তা এখনো পর্যন্ত জানা যায় নি । সময়ের সাথে সাথে থেকে লোক জড়ো হতে শুরু করে । তার পরবর্তী সময়েকি হলো সেটি ওই ভিডিওতে উল্লেখ নেই।

মুহুর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়েছে সে ভিডিওটি এবং ছ-ড়িয়ে প-ড়েছে নেটদুনিয়া আ-নাচে-কা-নাচে। ইতিমধ্যে নজর কেড়েছে নেটদুনিয়া নেটিজেনদের। তার পাশাপাশি এই ভিডিওর মাধ্যমে বার্তা দিয়েছেন যে সাবধানতা অবলম্বন করতে বলা হয় কেন । বড় ধরনের বিপদ এড়িয়ে চলা যেতেই পারে যদি শুধুমাত্র একটুখানি সাবধানতা অবলম্বন করা যায়। ইতিমধ্যে বাচ্চা ছেলেটি দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছে অনেকে।