সমুদ্র তলদেশে পাওয়া গেল ১২০০ বছর আগে হারিয়ে যাওয়া এক অজানা শহর

সমুদ্র তলদেশে পাওয়া গেল ১২০০ বছর আগে হারিয়ে – প্রাচীন যুগের হেরাক্লিয়ন ছিল একটি গু’রুত্বপূর্ণ বন্দর। সেই সময় কনস্টান্টিনোপল, রোম ও এথেন্স বিভিন্ন এলাকায় বিভিন্ন জায়গায় যাতায়াত করার জন্য ব্যবহৃত ‘হতো ভূমধ্য সাগর।

নীলনদের পশ্চিম প্রবেশের মুখেই ছিল এই হেরাক্লিয়ন শহর। এত বছর পরে সেই শহর পাওয়া গেল সমুদ্রের নিচ থেকে। ঐতিহাসিকদের মতে পঞ্চ’ম শতাব্দীতে গ্রিকদেবতা হেরাক্লেস এখানে আসেন।

তার নামেই এই সহরের নাম হয় হেরাক্লিয়ন।এ শহর কিভাবে সমুদ্রের নিচে তলিয়ে গেল তা এখনো র’হস্য। সমুদ্রে গ’র্ভে তলিয়ে গেছে বড় বড় মন্দির ভবন সহ পুরো

শহর। পাওয়া গেছে খোদাই-করা পাথরের ফলক, লিপি, মুদ্রা, কিছু শব রাখার জায়গা উ’দ্ধার হয়েছে। দেবতা আমনের উদ্দেশ্যে দেওয়া ‘হতো কিছু পশুবলি। তাদের মমি ও পাওয়া গেছে। এই শহরটি যে,

বন্দর শহর ছিল তার প্রমাণ পাওয়া যায়, এখান থেকে প্রায় ৭০০টি নো’ঙ্গর, ৬৪ টি জাহাজ খুঁজে পাওয়া গেছে। এই শহরটি ‘থনিস’ নামেও পরিচিত ছিল।

মিশরের আলেক জান্দ্রিয়া থেকে ২০ মাইল উত্তর-পশ্চিমে এই শহরটি অবস্থান করছে। এই অঞ্চলটি বন্দর ছাড়াও মিশরীয় দেবতা আমনের এক সুবিশাল মন্দিরের জন্য বিখ্যাত ছিল।

ঐতিহাসিকরা মনে করেন এক বিধ্বং’সী ভূমিকম্পের ফলেই পুরো শহর চলে যায় সমুদ্রের নিচে। ২০০০ সালে ফরাসি প্রত্নতত্ত্ববিদ ফ্রাঙ্ক গু’ডি এবং তার দল এই শহরটি খুঁজে পান।

শুধু তাই নয়, তারা প্রায় ১৩ বছর ধরে শহরের খননকাজ চলান এবং একে একে উ’দ্ধার করেন এক একটি অমূল্য গু”প্ত ধন।

সমুদ্রের তলায় পলিমাটি বালি সরিয়ে তারা উ’দ্ধার করেন মিশরীয় দেবতা আমন ও তার ছে’লে খনোসৌ এর মন্দিরের ভ’গ্নাংশ।

এমন কতইনা সভ্যতা সমুদ্রগ’র্ভে, মাটির গ’র্ভে বিলীন হয়ে রয়েছে তা হয়তো এখনো উ’দ্ধার করা সম্ভব হয়নি। প্রত্নতাত্ত্বিকদের সহায়তায় এ সমস্ত সভ্যতায় পুনরায় যেন জীবন ফিরে পায়।