বন্ধুকে শালা বলায় বন্ধুর বোনের সাথে জো’র করে বিয়ে

শ’রণখো’লায় ক’রো’না’য় ল’কডা’উন থাকার কা’রনে বন্ধু মহল দী’র্ঘদিন মিলিত হতে পারেনি। গ’তকাল তারা এক জা’য়গায় মি’লিত হয় অনেক দিন দেখা না হ’ওয়ার কারনে মে’জাজ খি’টখিটে থাকে স’কলের,

তার ভি’তর ঘটে এই বিপত্তি। মজার ছলে বন্ধু মুন্না আ’রেক বন্ধুকে শা’লা বলে গালি দিলে ব’ন্ধুমহ’ল চরম রাগ হয় এবং তারা ওই বন্ধুকে শাস্তি দে’বার চিন্তা করে। ব’ন্ধু মহল শরণখোলার কালা জা’হাঙ্গীর নামে এক পাতি নে’তার কাছে বিচার দেয়। বি’চারক সব শুনে ক্ষি’প্ত হন, এবং মু’ন্নাকে জো’রপূর্বক বন্ধুর বোন শা’য়লা কে বি’য়ের জন্য প্রে’সার দেন,

মুন্না এবং বন্ধুর পরি’বার বি’দ্বাবোধ করলে পাতি নেকা তা’দের গ্রাম ছেড়ে শ’হরে চলে যেতে নির্দেশ দেন, উ’পায় না পেয়ে ব’ন্ধুর বো’ন কে বি’য়ে করেন নাদিম!!! বি:দ্র: মু’ন্নার এই শালা বলা ছিলো প’রিকল্পিত, দীর্ঘদিন যা’বত ঔ বন্ধু বোনের সাথে প্রেম ছিলো মু’ন্নার কিন্তু ক’রো’না’র কারনে মু’ন্নার চা’করি ‘আটকে যায়।

যার কারনে বি’য়ে হচ্ছিলোনা তাদের তাই বন্ধু ম’হল মিলে এই প’রিকল্পনা করে। সকল চ’রি’ত্রই কাল্পনিক কারো সাথে মিলে গে’লে মিষ্টর শ’রণখোলা দায়ী থা’কবেনা।। আরোও পড়ুনঃ ৭০ বছর বয়সে ৯ নম্বর বিয়ের করতে যাচ্ছেন এই বৃদ্ধ! এলাকায় তুলপাড়!—লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজে’লার বুড়িমা’রি ইউনিয়নের বাসিন্দা হাবিবুর রহমান ওরফে হবি (৭০) বি’রুদ্ধে নবম বিয়ে করার (বহুবিবাহের)

অ’ভিযোগ ক’রেছেন তাঁর প্রথম স্ত্রী রহিমা বেগম। হাবিবুর রহমান বুড়িমা’রী ইউনিয়ননের সাবেক ইউপি সদস্য। তিনি এখন পর্যন্ত আটটি বিয়ে ক’রেছেন স’ম্প্রতি গো’পনে নবম বিয়ে ক’রতে তোড়জোড় করছেন। তিনি দুঃশ্চরিত্র ও নারী লোভী বলে অ’ভিযোগে উল্লেখ করেছে তাঁর প্রথম স্ত্রী রহিমা বেগম। জা’না গেছে, আটজন স্ত্রীর মধ্যে জমি-জমা বিক্রি করে ইতিমধ্যে তিনজনকে ডিভোর্স দিয়েছেন তিনি।

একজনের মৃ’ত্যু হয়েছে। চারজন স্ত্রী চার বসতবাড়িতে সন্তানদের নিয়ে রয়েছেন। এরই মধ্যে হাবিবুর রহমান হবি এক মহিলার সাথে পরকীয়া স’স্পর্ক গড়ে তুলে বিয়ে ক’রতে উঠে প’ড়েছে। এঘ’টনায় এলাকায় ব্যা’পক আলোচনা-স’মালোচনার সৃষ্টি হওয়ায় লোকসমাজে মুখ দেখাতে পারছেন না পরিবারের সদস্যরা। বাধ্য হয়ে বিয়ে রুখতে পাটগ্রাম থা’নায় ও লালমনিরহাট পু’লিশ সুপার বরাবর লিখিত অ’ভিযোগ ক’রেছেন প্রথম স্ত্রী।

রহিমা বেগম জা’নান, প্রায় ৪০ বছর পূর্বে আমাকে বিয়ে করার সময়ের মধ্যে আমা’র মতের বি’রুদ্ধে একের পর এক সাতটি বিয়ে করেন। তিনি একজন পর নারীকে ভাগিয়ে এনে অন্যের সংসার ন’ষ্ট করে মজা পায়। বর্তমানে আমা’র ছেলে একজন বুড়িমা’রী ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য। মেয়েদের বিয়ে হয়েছে নাতী-নাতনি রয়েছে।

এ বয়োবৃ’দ্ধ অব’স্থায় অন্যের স্ত্রীর সাথে আমা’র স্বামীর পরকীয়া স’স্পর্ক কিভাবে মেনে নেই। তাঁর জন্যে সমাজে মুখ দেখাতে পারছি না। হাবিবুর রহমানের ছেলে ও বুড়িমা’রী ইউনিয়ন পরিষদের ৭নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, আমা’র বাবা বিয়ে পাগল তিনি আমা’র বান্ধবীকে পর্যন্ত বিয়ে করেছে।

তিনি বুড়ো বয়সেও বিভিন্ন অপক’র্ম করে যাচ্ছেন। তাঁর কারণে আমাদের মেয়ে, ভাজতি ও ভাগ্নিদের বিয়ের প্রস্তাব আ’সলে মানুষ খা’রাপ মন্তব্য করে।বুড়িমা’রি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু সাইদ নেওয়াজ নিশাত বলেন, হাবিবুর রহমান হবি একজন নারী পিপাসু ব্য’ক্তি। শেষ বয়সেও তিনি একের পর খা’রাপ অপক’র্ম করছে।

ওনার বর্তমানে চারটি স্ত্রী থাকার পরেও কি ধ’রণের মা’নসিকতা হলে তিনি অন্যের স্ত্রীর সাথে পরকীয়ায় লিপ্ত হন। তাকে বিভিন্নভাবে বোঝানো হলেও তিনি কোনো কথা শুনছেন না, মানছেনও না। এ বিষয়ে হাবিবুর রহমান হবি বলেন, আমি নবম বিয়ে অনেক আগেই করেছি।

ছেলেরাই আমা’র সম্পদ দখল ক’রতে আমা’র প্রতি অন্যায়-অত্যাচার করছে। আমি আদালতে মা’মলা করেছি। এ বিষয়ে পাটগ্রাম থা’নার ভারপ্রাপ্ত ক’র্মকর্তা (ওসি) সুমন কুমা’র মহন্ত বলেন, অ’ভিযোগ পেয়েছি। এটি বহু বিবাহের মা’মলা আদালতে ক’রতে হবে।