বগুরায় দেখা মিলল মি. বিন-এর

লোকজন মেরুন কোট পরা এক ব্যক্তির পেছন পেছন ঘুরছেন। ওই ব্যক্তির কর্মকা’ণ্ডে হাসছে শি’শুরা। তার সঙ্গে সব বয়সের ছে’লে, বুড়ো, মে’য়ে সেলফি তুলছেন।

হাতে ছোট একটি পান্ডা পুতুল— তার সঙ্গেই যেন ভাব জমিয়ে গল্প ও মেলা প্রাঙ্গণ ঘুরে দেখাচ্ছেন তিনি। ভিড় ঠেলে সামনে গিয়ে দেখা গেল জনপ্রিয় কমেডিয়ান বাংলার মি. বিন।

হ্যাঁ, বাংলার ‌মি. বিন এখন বগুড়ায়। সত্যিকারের মি. বিন না হলেও আনন্দের সঙ্গী হয়ে বগুড়ায় এখন জাদুশিল্পী রাশেদ শিকদার। চেহারায়, গঠনে, হাসিতে ও আচরণে রাশেদ শিকদার হয়ে উঠছেন সকলের হাসির জনপ্রিয় চরিত্র ‘মি. বিন’।

বাংলাদেশ টেলিভিশনে নিয়মিত জাদু প্রদর্শন করেন তিনি। পাবনায় অনেকে তাকে ম্যাজিশিয়ান রাশেদ নামেই চেনেন।
পাবনার বেড়া উপজে’লার কাজিরহাটের আমিনপুর ফেরিঘাট এলাকায় রাশেদ শিকদারের বাড়ি। পড়াশোনা করছেন স্থানীয় একটি কলেজে।

লেখাপড়ার পাশাপাশি দীক্ষা নিতে শুরু করেন ম্যাজিক বা জাদুর। বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করার সময় থেকে শুরু জাদু শেখা। এরপর আমিনপুর গ্রাম থেকে সারাদেশে নাম ছড়িয়ে পড়ে ম্যাজিশিয়ান রাশেদ শিকদার নামে।

তবে ২ বছর আগে নিজেকে আবিষ্কার করেন ‘মি. বিন’ হিসেবে। আয়নায় দাঁড়িয়ে দেখেন ব্রিটিশ লেখক, অ’ভিনেতা এবং জনপ্রিয় কমেডিয়ান ‘রোয়ান সেবাস্টিয়ান অ্যাট’কিনসন ওরফে মি. বিন’ তার নিজের অবয়বে বিরাজমান। তারপর আর আ’ট’কায় কে? চলতে থাকল অনুশীলন। এই ২ বছর জাদুকর রাশেদ শিকদারের বদলে বাংলার ‘মি. বিন’ হয়ে জনপ্রিয়তা পেয়েছেন দারুণ।

বগুড়ায় বুধবার (১০ মা’র্চ) বিকেল থেকে শুরু হওয়া তাঁত বস্ত্র ও কুটির শিল্প মেলায় এসছেন তিনি। বগুড়া প্রেসক্লাবের আয়োজনে মাসব্যাপী মেলার উদ্বোধনী দিনে তাকে এনেছে মেলা কমিটির নেতারা।
বুধবার সন্ধ্যায় বগুড়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট মোহাম্ম’দ আলী হাসপাতাল মাঠে এই মেলার উদ্বোধন করেন জে’লা প্রশাসক জিয়াউল হক।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অ’তিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘করো’নাভাই’রাসের সঙ্গে মিলেমিশেই আম’রা বাস করছি। নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না করো’না কমে গেছে, যেকোনো সময় আবারও সংক্রমণ বাড়তে পারে। তাই সকলকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।’