ভিপি নুরকে নিয়ে যা বললেন রাব্বানী

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের (ঢাকসু) সাবেক সহ-সভাপতি (ভিপি) নুরুল হক নুরের বি’রু’দ্ধে ধ’র্ষ’ণ মা’ম’লা’র নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) গোলাম রাব্বানী।

গত সোমবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে রাব্বানী লিখেন- ‘ইনবক্স-টাইমলাইন-কমেন্ট বক্সে একটি টাটকা নিউজ বেশ আলোচিত। গত রাতে ডাকসুর সদ্য সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর সাহেবের বি’রু’দ্ধে ধ’র্ষ’ণে’র অভি’যো’গে লালবাগ থানায় মা’ম’লা দা’য়ের করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী। মা’ম’লা’র মূল আ’সা’মি হাসান আল মামুন আর নুরের বি’রু’দ্ধে ধ’র্ষ’ণে সহায়তার অভি’যো’গ আনা হয়েছে।

চলতি বছরের ৩ জানুয়ারি পূর্বপরিকল্পিতভাবে লালবাগের নবাবগঞ্জ রোডের একটি বাসায় নিয়ে ধ’র্ষ’ণ করা হয় বলে গু’রু’তর অভি’যো’গ ভুক্ত’ভো’গী শিক্ষার্থীর।

স্পর্শকাতর এই মা’ম’লা’র তদন্তের ক্ষেত্রে নুর সাহেবের পদ, রাজনৈতিক অবস্থান বা মতাদর্শ যেন কোন নিয়ামক বা প্রভাবক হিসেবে বিবেচিত না হয়। দ্রুততম সময়ে অভি’যোগ’টির সঠিক ও নিরপেক্ষ তদন্ত হোক, সে দো’ষী সাব্যস্ত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হোক আর নি’র্দো’ষ হলে দায়’মু’ক্তি পাক, এটাই প্রত্যাশা।’

প্রসঙ্গত, গত রোববার রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) এক শিক্ষার্থী লালবাগ থানায় একটি মা’ম’লা করেন। মা’ম’লা’য় ধ’র্ষ’ণের অভি’যো’গে মোট ৬ জনকে আ’সা’মি করা হয়। তাদের মধ্যে ভিপি নুরকে ধ’র্ষ’ণে সহযোগিতাকারী হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

এ ঘটনায় সোমবার সন্ধ্যায় নুরসহ ৬ জনের বি’রু’দ্ধে ধ’র্ষ’ণ মা’ম’লা’র প্রতিবাদে নুর ও তার সহযোগীরা শাহবাগ থেকে মৎস ভবনের দিকে বি’ক্ষো’ভ মি’ছিল নিয়ে যাচ্ছিলেন। এসময় নুর ও তার ৬ সহযোগীকে মৎস ভবনের সামনে থেকে ধরে নিয়ে যায় পুলিশ। রাত ১০টার দিকে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নেয়া হয়।

এরপর রাত পৌনে ১২টার দিকে নুর ও তার সহযোগী সোহরাবকে ডিবির কার্যালয়ে নেয়া হয়। দ্বিতীয় দফায় নুরকে নিয়ে যাওয়ার সময় ছাত্র অধিকারের নেতাকর্মীরা প্রতি’রো’ধ করার চেষ্টা করে গাড়ির সামনে বসে স্লোগান দেন। নুরের স্ত্রী তার ছোট বাচ্চাকে নিয়ে গাড়ির সাথে ঝু’লে পড়েন। পরে লা’ঠি’চা’র্জ করে তাদের সরিয়ে নুরকে নিয়ে যায় পুলিশ। রাত পৌনে ১টার দিকে মু’ছ’লেখা দিয়ে ডিবি কার্যালয় থেকে ছাড়া পান নুর।