W পজিশনে কোন বাচ্চাকে বসতে দেখলে সাথে সাথে থামাবেন

বাচ্চারা জানে না কোন জিনিসটা তাদের জন্য ভাল এবং কোন জিনিসটা তাদের জন্য খারাপ। উদাহরণসরূপ বলা যায় প্লাস্টিকের খেলনা কামড়ানো, মাটি মুখে দেয়া, মাটিতে খেলা, ধারালো কোন কিছু দিয়ে খেলা অবশ্যই ভাল কিছুর মধ্যে পড়ে না। আপনি যতই তাদের সুরক্ষিত রাখতে চান না কেন, তারা এগুলো করতে চাইবেই। তারা মূলত জানে না এসব করার ফলে তাদের কি কি অসুবিধা হতে পারে। তাই তাদের সবসময় বড়দের নজরদারির ভেতর রাখতে হয়।

বাচ্চাদের কোন ক্ষতি হোক আমরা কেউই তা চাই না, তাই যদি কখনও কোন বাচ্চাকে W পজিশনে বসতে দেখেন সাথে সাথে তাকে থামাবেন! কেন? চলুন জেনে আসি-আপনি হয়তো ভাবছেন এভাবে বসলে ক্ষতিটা কি? আগে আপনাদের বসার ধরণটা ব্যাখ্যা করি। এই বিশেষ পজিশনে বসলে পায়ের গোড়ালি শরীরের পেছনের দিকে এবং হাঁটু সামনের দিকে থাকে। হাঁটুর অংশে একটা V এর আকৃতি নেয় এবং দুই পা মিলিয়ে W এর আকার নেয়।

এখন বলবো এভাবে বসার ফলে কি কি ক্ষতি হতে পারে। প্রথমত, এভাবে বসলে খুব জলদি শ’রীরে ক্লান্তি চলে আসে। কারণ এভাবে বসলে প্রচুর শক্তি খরচ হয়। তাই বাচ্চারা অলস অনুভব করবে!এটা বাচ্চাদের পায়ের অঞ্চলকে ক্ষ’তিগ্রস্ত করবে। পায়ের পেশিকে টান টান করে দিবে যা বাচ্চাদের জন্যে মোটেও ভাল না।

এটা আরো খারাপ হবে যখন কেউ লম্বা সময় ধরে এভাবে বসে। এভাবে দীর্ঘসময় বসে থাকলে বাচ্চার স্নায়ুবিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। স্নায়ুবিক সমস্যা মানেই মগজের সাথে জড়িত এবং এটা কখনই এড়িয়ে যাওয়ার মত বিষয় না।

এটার ফলে পায়ের পেশি অসাড় করে দিবে এবং পায়ের অঙ্গবিন্যাস নষ্ট করে দিতে পারে। কারণ পায়ের পেশি এবং হাড় অনেক নরম।দীর্ঘদিন ধরে এভাবে বসার ফলে আপনার শরীর সমন্বয় এবং ভারসাম্য হারাবে। এর সাথে সাথে ঘটতে পারে হিপ ডিসপ্লেসিয়া বা কোমরের হাড়ের সাথে পায়ের হাড়ের অবস্থান পরিবর্তন। এর ফলে একটা স্বতস্ফুর্ত শিশুর ভবিষৎ একেবারে বদলে যেতে পারে।

তাই আপনাদের বলবো যখনই কোন শিশুকে W পজিশনে বসতে দেখবেন সাথে সাথে তার বসার পজিশন পরিবর্তন করে দিন।প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ ভাল। আর একটা বাচ্চার সুরক্ষার চেয়ে বড় আর কিছু হয় না।