খালেদা জিয়া: করো’নাভা’ইরাস আ’ক্রা’ন্ত হয়েছেন বিএনপি চেয়ারপার্সন, নিশ্চিত করছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান বিরোধী দল বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার কো’ভিড-১৯ আক্রান্ত। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিবিসি বাংলাকে এ খবর নিশ্চিত করেছেন।

দুপুরেই স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের বরাত দিয়ে স্থানীয় গনমাধ্যম জানাচ্ছিল খালেদা জিয়া কো’ভিড-১৯ আক্রান্ত বলে শনাক্ত হয়েছেন। এমনকি খালেদা জিয়ার করোনা পরীক্ষার একটি রিপোর্টের কপিও ছড়িয়ে পড়ে অনলাইনে।

তখন স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মাঈদুল ইসলাম প্রধান খবরের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেছিলেন, শনিবার খালেদা জিয়ার নমুনা সংগ্রহ করেছে আইসিডিডিআর’বি, রবিবার সকালেই মন্ত্রনালয়ের হাতে তার করোনা শনাক্তের প্রতিবেদন পৌঁছেছে।

যদিও দলের সূত্র থেকে এ খবর প্রথমে অস্বীকার করা হয়। কিন্তু মিসেস জিয়ার পরিবারের একজন সদস্যের সঙ্গেও বিবিসির কথা হয়েছে, এবং তিনি বলছেন, খালেদা জিয়ার করোনা আক্রান্ত হবার খবর সত্য।

দুটি দুর্নীতির মামলায় কারাদণ্ডে দণ্ডিত খালেদা জিয়া ২৫ মাস জেল খাটার পর গত বছরের ২৫ মার্চ জামিন পান। তিন দফায় তার জামিনের মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়েছে।

২০১৮ সালের ৬ই অক্টোবর কা’রাগা’র থেকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় খালেদা জিয়া।
তাঁর চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ডায়াবেটিস, আর্থরাইটিস সহ বিভিন্ন রোগে এখন বয়সের কারণে খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা বেশ খারাপ হয়েছে। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নিয়ে যেতে চায় পরিবার, যদি সরকারের তরফ থেকে সেই অনুমতি পাওয়া যায়নি।

খালেদা জিয়ার ছোট ভাই শামীম ইস্কান্দারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৪ শে মার্চ শর্ত সাপেক্ষে সরকার নির্বাহী আদেশে সাজা স্থগিত করে ছয় মাসের জন্য খালেদা জিয়াকে মুক্তির সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছিল।

এর পরদিন ২৫শে মার্চ খালেদা জিয়া দুর্নীতির মামলায় দুই বছরের বেশি সময় জেল খাটার পর মুক্তি পেয়েছিলেন।
২০০৮ সালে বিএনপি চেয়ারপারসনের বিরুদ্ধে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ মামলা দায়ের হয়।
দশ বছর পর ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে মামলার রায়ে তার পাঁচ বছরের কারাদণ্ড হয়।

তবে পরে হাইকোর্ট সেই সাজা বাড়িয়ে দশ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দেন। আরেকটি মামলায় তাঁর সাত বছরের কারাদণ্ড হয়েছে।

সুত্রঃ বিবিসি বাংলা