কণ্ঠশিল্পী নোবেল এবার মুফতি নোবেল: দিলেন গান-বাজনা জায়েজের ১২ টি দলিল,

বিতর্ক যেন পিছু ছাড়ছেই না নোবেলের।জাতীয় সঙ্গীত পছন্দ নয় বলে প্রথম বিতর্ক সৃষ্টি করেছিলেন কলকাতার জনপ্রিয় অনুষ্ঠান সা রে গা মা পাতে।এরপর ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে স্যোসাল মিডিয়াতে চাওয়ালা বলে ব্যঙ্গ করে নতুন বিতর্কের জন্ম দেন।

তারপর বাংলাদেশের লিজেন্ডারি শিল্পীরা গান জানেন না। তাদেরকে গান শেখাতে চান এমন কথা বলে স্যোসাল মিডিয়াতে ঝড় তোলেন।সর্বশেষ কোনো এক ভণ্ড বাবার মুরিদ হয়ে হাদীসের কিছু জাল রেফারেন্স দিয়ে তার ফেসবুক পেইজে প্রমাণ করতে চাইলেন গান বাজনা জায়েজ!তার এমন অদ্ভুত আচরণে হতাশ তার ভক্ত সমাজ।

গান-বাজনা কখনো হারাম নহে। পবিত্র কুরআন শরীফ এবং হাদিসে গান বাজনা নিয়ে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তত্ত্ব আছে। তাই আমরা গান-বাজনাকে হারাম বা নাজায়েজ বলার আগে তা নিয়ে একটু আলোচনা করা উচিত ।

আল্লাহ্ এবং তার রাসূলের আশেকদের জন্য গান-বাজনা তাদের আত্মার খোরাক। যদি আনন্দ-ফুর্তির জন্য গান-বাজনা করা হয় সেই ক্ষেত্রে অবশ্যই হারাম বলে গন্য হবে।

নিন্মে গান-বাজনা ও নৃত্য সম্পর্কে কিছু দলিল দেওয়ার চেষ্টা করছি:-

বি:দ্র: পবিত্র কুরআন শরীফ ব্যাতিত অন্য কোনো গ্রন্থ বা কিতাবের যথার্থ মর্যাদা রয়েছে। তবে তাতে অন্ধ বিশ্বাসের পক্ষপাতী আমি ব্যাক্তিগতভাবে নই। তবুও যারা হাদিসের গুরুত্ব নিয়ে এর আগের পোস্টে আলোচনা করেছেন তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।