পরের ম্যাচেই বাদ পড়তে পারেন সাকিব!

মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে প্রায় জেতা ম্যাচ শেষ মুহূর্তে এসে হেরে গেছ কলকাতা নাইট রাইডার্স। রোববার (আগামীকাল) বিরাট কোহলির রয়েল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে নামবে কেকেআর। কোহলিদের বিপক্ষে কী করবে কেকেআর? এখনই আলোনা তুঙ্গে। সমালোচনাও হচ্ছে।

এই ম্যাচেও যদি মুম্বাই ম্যাচের মত নতজানু হতে হয়, তাহলে কেকেআর অধিনায়ক মরগ্যানের পথের কাঁটার সংখ্যা আরও বাড়বেই। কলকাতার মিডিয়ায় এরই মধ্যে কেকেআরের একাদশ নিয়ে কাঁটাছেড়া শুরু হয়েছে।

সেখানকার মিডিয়া লিখছে, যত দূর যা শোনা যাচ্ছে তাতে নাইট শিবিরে বিশেষ স্বস্তিজনক পরিবেশও নেই এই মুহূর্তে। স্পিন ধোঁয়াশায় পুরোপুরি ঢেকে রয়েছে দলটি। দু’জনকে নিয়ে কী করা উচিত, টিম ম্যানেজমেন্টের কেউ কেউ নাকি বুঝে উঠতে পারছেন না। প্রথমজন, হরভজন সিং। দ্বিতীয় জন, সাকিব আল হাসান।

হরভজনকে প্রথম দুই ম্যাচ খেলানো হলেও অধিনায়ক মরগ্যান তার উপর বিশেষ আস্থা রাখতে পারছেন না, তা ‘টার্বুনেটর’কে দিয়ে চার ওভার না করানোতেই পরিষ্কার। প্রথম ম্যাচে তো করানো হয়েছিল মাত্র এক ওভার!

হরভজনের চেয়ে অনেক বেশি ভরসা রাখা হচ্ছে, বরুণ চক্রবর্তীর উপর! এটাও শোনা যাচ্ছে, রোববার আরসিবির বিপক্ষে ম্যাচে হরভজনকে বসিয়ে তার জায়গায় বাঁ-হাতি স্পিনার পবন নেগিকে খেলানো যায় কি না, ভেবে দেখা হচ্ছে।

যুক্তি হল, পবন বছর দু’য়েক আগে আরসিবির ক্রিকেটার ছিলেন, সে কারণে। ক্রিকেটীয় যুক্তিতে যদিও এমন ভাবনা বোঝার উপায় নেই। কারণ সাকিব খেললে, তিনি আর নেগি একই ধরনের বোলার হবেন।

কুলদীপ যাদবকে তা হলে দলে রেখে দেওয়ার অর্থ কী? যাদব হলেন চায়নাম্যান, তিনি খেললে তো বৈচিত্র্য আসে। সাকিব খেলবেন কি না, সেটা অবশ্য নিশ্চিত নয়। বল হাতে ভাল করলেও ব্যাট হাতে এখনও কিছুই করতে পারেননি সাকিব।

তার জায়গায় সুনিল নারিনকে ফেরানো যায় কি না, সেটা নিয়েও ভাবনাচিন্তা চলছে বলে শোনা যাচ্ছে। যদি সাকিবকে বাদ দেয়া হয়, তাহলে বাঁ হাতি স্পিনার হিসেবে কুলদীপকে খেলানো হতে পারেন। কী হবে শেষ পর্যন্ত, বলা মুস্কিল। সময় আছে কাল বিকাল পর্যন্ত।

যদিও একটা বিষয় পরিষ্কার, নাইটদের পক্ষ থেকে যেভাবে মরগ্যান এবং কার্তিকের মধ্যে সখ্য দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে সেটা মোটেও দলের বাস্তবতা নয়। বাস্তব বরং দ্বিতীয়টা, স্পিন জট! এই জট থেকে মুক্তির রাস্তা রোববারই খুঁজতে পারে নাইটরা।