ফিলিস্তিনের পক্ষে রাফেলোর লক্ষ্য ২০ লাখ গণস্বাক্ষর

নিজের দেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে নির্যাতিত ফিলিস্তিনের পক্ষে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন ‘দ্য হাল্ক’–এর অভিনেতা মার্ক রাফেলো। ফিলিস্তিনকে মুক্ত করার জন্য অর্থ সংগ্রহের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। এ ছাড়া ফিলিস্তিনের পক্ষে অনলাইনে ২০ লাখ গণস্বাক্ষর সংগ্রহের লক্ষ্যে কাজ শুরু করেছেন এই অভিনেতা।

ফিলিস্তিনের পক্ষে যুক্তরাষ্ট্র ও বিশ্বকে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে এক টুইটে তিনি লিখেছেন, ‘ফিলিস্তিনের জেরুজালেমে দেড় হাজার মানুষের ওপর হামলা করা হয়েছে। শত শত মানুষ আহত হয়েছে। ৯টি শিশু মারা গেছে। ফিলিস্তিনিদের মুক্ত করার জন্য অর্থ সংগ্রহ করুন। যে যেভাবে পারেন, তাঁদের পাশে দাঁড়ান।

ফিলিস্তিনের পক্ষে অনলাইনে ২০ লাখ গণস্বাক্ষর সংগ্রহের লক্ষ্য নিয়ে কাজ শুরু করছেন রাফেলো। সেখানে ইতিমধ্যে স্বাক্ষর করেছেন ১৭ লাখ মানুষ। বিশ্বনেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে রাফেলো লেখেন, ‘এই দুঃসময়ে ফিলিস্তিনের মানুষের সঙ্গে যা ঘটছে, তাতে বিশ্বের নড়েচড়ে বসা উচিত। আপনারা ঘুম থেকে উঠে চোখ মেলুন। এই হামলা থামান। ফিলিস্তিনের প্রত্যেকটি মানুষের নাগরিক আর রাষ্ট্রীয় অধিকার নিশ্চিত করার জন্য আমি বিশ্বনেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। আপনাদের ভূমিকা এই মুহূর্তে খুব জরুরি।

শুধু রাফেলোই নন, বিশ্বের বিনোদন অঙ্গনের তারকাদের অনেকেই ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি হামলার বিরুদ্ধে নিজেদের অবস্থান জানান দিচ্ছেন। জেরুজালেমের পাশে শেখ জারাহ শহরের কথা মনে করিয়ে দিয়ে অস্কারজয়ী মার্কিন অভিনেত্রী ভায়োলা ডেভিস লিখেছেন, ‘আসুন শেখ জারাহতে যা ঘটছে, তা নিয়েও কথা বলি।

সেখানে ফিলিস্তিনি পরিবারকে উৎখাত করে জোর করে ইহুদি বসতি গড়ার চেষ্টা করেছে ইসরায়েলিরা। বিশ্বনেতারা চুপ কেন?’ ব্রিটিশ কণ্ঠশিল্পী ডুয়া লিপা ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেছেন ‘শেখ জারাহতে কী হচ্ছে’ শিরোনামে একটি খবর। জানিয়েছেন ফিলিস্তিনের পক্ষে নিজের অবস্থানের কথা। সেখানে লেখা, ‘আসুন আমরা ইসরায়েলের নৃশংস্য হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে সরব হই।’ পিঙ্ক ফ্লয়েডের কিংবদন্তি সংগীত তারকা রজার ওয়াটার্স লিখেছেন, ‘ইসরায়েল যা করছে, তা ঘেন্নার।’

দক্ষিণ আফ্রিকান কমেডিয়ান ত্রিভর নোয়াহ লিখেছেন, ‘আমি একটা সহজ প্রশ্ন করতে চাই। আপনি একটা যুদ্ধে আছেন, যে যুদ্ধে অন্য পক্ষ বলে কিছু নেই। আপনি কতটা প্রতিহিংসাপরায়ণ হবেন? ফিলিস্তিন ইসরায়েলের কী ক্ষতি করেছে? আমি কেবল বলতে চাই, যে রাষ্ট্রের হাতে ক্ষমতা আছে, তাদের দায়িত্বও আছে। নিজেদের দায়িত্বের কথা ভুলে যাবেন না। ফিলিস্তিন আরেক পক্ষ নয়, এখানে কোনো পক্ষ নেই। তারা নির্যাতনের শিকার। ইসরায়েলকে থামান।’