শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি আরো বাড়ছে

দেশে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ (সেকেন্ড ওয়েভ) শুরু হচ্ছে। এমতাবস্থায় এখন পর্যন্ত যে খাতগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাঁর অন্যতম হলো দেশের শিক্ষাব্যবস্থা। ঝুঁকি বিবেচনা করে ইতোমধ্যে বাতিল করা হয়েছে পিইসি ও জেএসসি পরীক্ষা।

আটকে আছে এইচএসসি পরীক্ষাও। সার্বিক বিবেচনায় এখনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি বলেই মনে করছেন শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যানদের অনেকে।

তাই আবারো বাড়তে পারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি। মন্ত্রণালয় ও অধিদফতর সূত্রে এমনটাই আভাস পাওয়া গেছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে,

যা মোকাবেলায় সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কাজ করছে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটিও।

স্কুল খোলার বিষয়ে যে পরামর্শ দিল প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, দেশে গত তিন সপ্তাহ ধরে শনাক্তের সংখ্যা দুই হাজারের নিচে নেমে এসেছে, অর্ধেকে নেমে এসেছে দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যাও।

পরীক্ষার সংখ্যা অনেক কম হলেও পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হারও নেমে এসেছে দৈনিক ১০ শতাংশের কাছাকাছিতে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়ার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংক্ষিপ্ত পাঠ পরিকল্পনা প্রকাশ থেকেও।

গত ১৬ সেপ্টেম্বর জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ) আগামী ১ নভেম্বর থেকে ৩৯ দিনের জন্য প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণীর সংক্ষিপ্ত পাঠ পরিকল্পনা প্রকাশ করেছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো: আকরাম-আল-হোসেন সে সময় গণমাধ্যমকে জানান, অক্টোবর ও নভেম্বরকে দুটো টার্গেট করে দু’টি লেসন প্ল্যান তৈরি করেছি।

পরিস্থিতি বিবেচনা করে নভেম্বর থেকে সংক্ষিপ্ত পাঠ-পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে। অক্টোবরে খোলার বিষয়ে এখনো কোনো নির্দেশনা নেই।

পরিস্থিতির উন্নতি হলে সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে। আর যদি নভেম্বরে স্কুল খোলা না যায় তাহলে প্রধানমন্ত্রী যেটি বলেছেন, অর্থাৎ অটো পাস ছাড়া উপায় নেই।