রেস্তোরাঁ থেকে সিসার সরঞ্জাম উদ্ধার: সংশ্লিষ্টতা পেলে আসামি হবেন মৌসুমীর ছেলে

তারকা দম্পতি ওমর সানী-মৌসুমীর ছেলের রেস্তোরাঁ ‘মন্টানা লাউঞ্জ’ থেকে সিসা সেবনের সরঞ্জামসহ ১১ জনকে আটকের ঘটনায় মামলা হয়েছে। ওই মামলায় ১১ জনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তবে মামলায় রেস্তোরাঁ ‘মন্টানা লাউঞ্জ’ এর মালিক ওমর সানী-মৌসুমীর ছেলে ফারদিন এহসান স্বাধীনের নাম নেই। স্বাধীন ছাড়াও ওই রেস্তোরাঁর মালিক আরও দুইজন। তাদেরকেও আসামি করা হয়নি।

এ বিষয়ে গুলশান থানার ওসি আবুল হাসান সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, যেহেতু আমরা ঘটনাস্থলে ওমর সানীর ছেলে স্বাধীনকে পাইনি, তাই তাকে আপাতত মামলায় আসামি করা হয়নি। তদন্ত সাপেক্ষে সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে তাকেও পরবর্তীতে আসামি করা হবে।

এর আগে মঙ্গলবার (১৮ মে) গুলশানের আরএম সেন্টারে থাকা ওই রেস্তোরাঁয় অভিযান চালায় পুলিশ। সিসা সেবনের সরঞ্জামসহ ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারা ওই রেস্তোরাঁর কর্মচারী বলে জানা গেছে। থানার ডিউটি অফিসার উপপরিদর্শক বজলুর রহমান বলেন, ১১ জন কর্মচারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

এ ঘটনার পর ওমর সানী জানান, ‘মন্টানা লাউঞ্জ আমাদের। সাত থেকে আট মাস ধরে এটি চলছে। সিসার বিজনেস ইলিগ্যাল কোনো বিজনেস না। গুলশান-বনানীতে এটি ছাড়াও ৩০টির বেশি লাউঞ্জ রয়েছে। সিসা আমার মেইন বিজনেস না। এটা থেকে আমার রিজিক চলে না। আমি আইনের সঙ্গে শতভাগ আছি।’

গুলশানে কি শুধু একটাই লাউঞ্জ আছে? প্রশ্ন করে ওমর সানী আরও বলেন, ‘নামকরা সিসা লাউঞ্জগুলো পাঁচ-সাত বছর ধরে চলছে। আমার জানা মতে, বাংলাদেশে ২০০-৩০০ লাউঞ্জ আছে। পুরো বাংলাদেশে আজকের মধ্যেই যদি সব লাউঞ্জ বন্ধ হয়ে থাকে, তাহলে রাষ্ট্রের প্রতি আমার কোনো অভিযোগ নেই। কিন্তু পার্টিকুলারলি আমাকে টার্গেট করে যদি করা হয়ে (অভিযান) থাকে, তাহলে রাষ্ট্রের কাছে বিচার চাইতেই হবে।’

জানা গেছে, ‘মন্টানা লাউঞ্জ’ গুলশান ১ ও ২-এর মাঝামাঝি অবস্থিত।