আর বাড়ছে না ‘লকডাউন’, আসছে নতুন নির্দেশনা

দেশে করোনাভারাসের সংক্রমণ রোধে চলমান ‘লকডাউন’ রয়েছে আগামী ২৩ মে পর্যন্ত। করোনাজনিত সংক্রমণের পরিস্থিতি বিবেচনায় পূর্বের সকল বিধিনিষেধ ও কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় ১৬ মে মধ্যরাত হতে ২৩ মে মধ্যরাত পর্যন্ত বর্ধিত করা হয় লকডাউন।

প্রজ্ঞাপনে পুরনো সকল শর্ত বহাল রেখে নতুন করে যুক্ত করা হয় দুটি শর্ত।বন্ধ রয়েছে দূরপাল্লা বাস, ট্রেন ও লঞ্চ চলাচল।তবে জেলার ভেতরে গণপরিবহনসহ অভ্যন্তরীণ যানবাহন চলছে। এদিকে, সর্বশেষ গত ১৮ মে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির ভার্চুয়াল সভা হয়। সেই সভার সিদ্ধান্ত সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হয়। সভায় লকডাউন বাড়ানোর কোনো সুপারিশ করা হয়নি।

তাই চলমান লকডাউন আর বাড়ছে না বলে ধারণা করা হচ্ছে।তবে মাস্ক পরা তথা স্বাস্থ্যবিধি মানানোর ওপর জোর দেবে সরকার। এক্ষত্রে স্বাস্থ্যবিধি মানাসহ কিছু নির্দেশনা দিয়ে রোববার (২৩ মে) প্রজ্ঞাপন জারি করা হতে পারে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, করোনা সংক্রমণ যেহেতু অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে, তাই এখন স্বাস্থ্যবিধি মানার ওপর জোর দিলেই সামনের দিনগুলোতে বিপর্যয়কর পরিস্থিতি সৃষ্টির সম্ভবনা থাকবে না। এভাবেই চিন্তা-ভাবনা করা হচ্ছে। তারপরও সবকিছু আগামী রোববারের মধ্যে চূড়ান্ত হবে।

উল্লেখ্য, কোভিড-১৯ সংক্রমণ আর মৃত্যুর ঊর্ধ্বগতি রুখতে সারা দেশে গত ৫ এপ্রিল থেকে শুরু হয় সাত দিনের লকডাউন। লকডাউন শেষে দুদিন বিরতির পর গত ১৪ এপ্রিল ভোর ৬টা থেকে আট দিনের কঠোর লকডাউন শুরু হয়। সেই মেয়াদ শেষ হয় গত বুধবার (২১ এপ্রিল) মধ্যরাতে। তবে করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় লকডাউনের মেয়াদ ২৮ এপ্রিল মধ্যরাত পর্যন্ত বাড়ানো হয়। পরে লকডাউন বাড়ানো হয় ৫ মে পর্যন্ত। এরপর গত ৩ মে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে আবারও লকডাউন বাড়িয়ে ১৬ মে পর্যন্ত বহাল রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এরপর ঈদের পর আরেক দফা বাড়িয়ে ২৩ মে পর্যন্ত করা হয়।