১২০-১৯০ কিমি গতির যশ বাংলাদেশের যে এলাকায় আঘাতের শঙ্কা

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপটি সুপার সাইক্লোন হয়ে উপকূলে আঘাত হানতে পারে জানিয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান বলেছেন, এজন্য পুরো উপকূলকেই সতর্ক করা হবে। শনিবার (২২ মে) সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা প্রতিমন্ত্রী। সংবাদ সম্মেলনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ সচিব মো. মোহসীন উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, এটা বর্তমানে বঙ্গোপসাগরের আন্দামান নিকোবর দীপপুঞ্জের কাছাকাছি লঘুচাপ অবস্থায় আছে। আগামী রোববারের (২৩ মে) মধ্যে সুস্পষ্ট লঘুচাপ হবে। এরপর আগামী ২৩ থেকে ২৪ মের মধ্যে নিম্নচাপ হবে। নিম্নচাপ থেকে ঘূর্ণিঝড় হবে। আগামী ২৬ মে ভূমিতে আঘাত করার সম্ভাবনা আছে। ভূমিতে ওঠার সময় এর গতিবেগ হবে ১২০ থেকে ১৯০ কিলোমিটার।

এনামুর রহমান বলেন, এখন পর্যন্ত এর ডিরেকশন ভারতের উড়িষ্যা ও পশ্চিমবঙ্গের দিকে। এটি যে অবস্থায় আছে, সেখান থেকে যদি সোজাসুজি আসে তবে আমাদের খুলনা বিভাগ আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা আছে। এটা জানার পর আমরা আবহাওয়া অধিদফতরের সঙ্গে প্রাথমিক আলোচনা করেছি। আজ বিকেল ৪টায় আমরা প্রস্তুতি সভা দিয়েছি। প্রস্তুতি সভার পর আমরা মাঠ প্রশাসনে আমাদের নির্দেশনা পাঠিয়ে দেব। ইতোমধ্যে সিপিপি ভলান্টিয়ারদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রচার কাজ শুরু হচ্ছে।

দুর্যোগ প্রতিমন্ত্রী বলেন, যেহেতু এটি এখন পর্যন্ত লঘুচাপ হয়ে আছে, এখনই আতঙ্ক কিংবা শঙ্কার কিছু নেই। অন্যান্যবারের মতো এটা সুপার সাইক্লোন হয়ে আঘাত হানতে পারে। আরেকটা বিষয় হলো- ঘূর্ণিঝড় এগোনের সময় প্রতি মুহূর্তে দিক পরিবর্তন করে। দিক পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে নতুন নতুন এলাকা আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে। সেজন্য আমরা আমাদের পুরো উপকূলকে সতর্ক করবো। প্রস্তুতিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোহসীন বলেন, ঘূর্ণিঝড়টি এখনও সৃষ্টিই হয়নি, তাই কোনো কিছু স্পষ্ট করে বলা যাবে না। আমাদের পূর্ব প্রস্তুতি রয়েছে। আমরা ওয়েল প্রিপেয়ার্ড নিয়ে রেখেছি।