শিক্ষার্থীরা পাবে ইউনিক আইডি, থাকছে ‘নট এ বিলিভার’ অপশন

মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের ইউনিক আইডি দেওয়া ও ডেটাবেস প্রস্তুতের কাজ শুরু হতে যাচ্ছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগ, সব অধিদপ্তর, শিক্ষা বোর্ড ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য সমন্বিত শিক্ষা তথ্য ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি গড়ে তোলা হচ্ছে।

বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর (ব্যানবেইস) আইইআইএমএস প্রকল্পের মাধ্যমে যা চালু করা হবে। ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ডেটাবেস প্রস্তুত করে তাদের ইউনিক আইডি কার্ড দেওয়া হবে এ প্রকল্পের আওতায়।

এ জন্য শিক্ষার্থীদের তথ্য সংগ্রহের কাজ সফলভাবে বাস্তবায়নে মাঠপর্যায়ের শিক্ষা কর্মকর্তা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) থেকে তথ্য চেয়ে সম্প্রতি সব আঞ্চলিক শিক্ষা অফিসে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

ইউনিক আইডিতে ধর্মীয় পরিচয়ের ক্ষেত্রে অপশন ইসলাম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ও অন্যান্য উল্লেখ করার পাশাপাশি ‘নট এ বিলিভার’ ও ‘রিফিউজ টু ডিসক্লোজ’ অপশন রাখা হয়েছে। চিঠিতে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য দেশের সব আঞ্চলিক শিক্ষা দফতরগুলোর কাছে তথ্য ও সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।

প্রকল্প বাস্তবায়নকারী কর্তৃপক্ষের বিধিমোতাবেক তথ্য সংগ্রহের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট ফর্ম ইতোমধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে পৌঁছে গেছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো শিক্ষার্থীদের কাছে ফর্মটি পৌঁছানোর কাজ শুরু করেছে বলে জানা গেছে।

জেন্ডার সংক্রান্ত তথ্যের জন্য ইতোপূর্বে ‘লিঙ্গ’ শব্দটি ব্যবহার করা হলেও এই ফর্মে স্পষ্টভাবে ‘জেন্ডার’ শব্দটি উল্লেখ করা হয়েছে। এবং অপশন হিসেবে ‌পুরুষ ও নারীর পাশাপাশি ‘অন্যান্য’ যুক্ত করা হয়েছে।নতুন সংযুক্ত এই শব্দগুলো ধর্মীয় ও জেন্ডারগত সহনশীলতা এবং স্বীকৃতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে মনে করছেন অনেকে।

জানা গেছে, ইউনিক আইডিতে ১০ বা ১৬ ডিজিটের শিক্ষার্থী শনাক্ত নম্বর যুক্ত থাকবে। পরে ডেটাবেসে যুক্ত এসব তথ্য ওই শিক্ষার্থীর জাতীয় পরিচয়পত্রের সঙ্গে সমন্বয় করা হবে। ফলে জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরির সময় আলাদা করে তথ্য সংগ্রহ করার প্রয়োজন হবে না।